ইউরোপের খাদ্যসংস্কৃতির আলোচনায় ইতালি ও ফ্রান্সের নাম বেশি শোনা গেলেও স্পেনও একেবারে পিছিয়ে নেই। দেশটির খাবারে যেমন রয়েছে স্থানীয় উপাদানের স্বাদ, তেমনি আছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছাপ। সামুদ্রিক খাবার, মাংস, ভাত, রুটি কিংবা স্যুপ- সব ক্ষেত্রেই পর্যটকদের পাতে ভিন্ন স্বাদ আনতে তাদের আন্তরিকতা চোখে পড়ার মতো। তাই স্পেন গিয়ে কয়েকটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার না খেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতাই যেন অপূর্ণ থেকে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৭টি স্প্যানিশ খাবারের কথা, যেগুলো ভ্রমণে গেলে একদম মিস করবেন না।
স্পেনের সবচেয়ে পরিচিত খাবারের তালিকায় পায়েলার নাম সবার ওপরে থাকবে। এর জন্ম ভ্যালেন্সিয়া অঞ্চলে। ঐতিহ্যবাহী পায়েলা ভ্যালেন্সিয়ানায় সাধারণত খরগোশ ও মুরগির মাংস ব্যবহার করা হয়, যদিও সিফুড পায়েলাও সমান জনপ্রিয়। বোম্বা জাতের চাল, টমেটো, মটরশুঁটি, বিশেষ ধরনের সাদা শিম এবং খাবারে রঙের জন্য ব্যবহৃত জাফরানের সমন্বয়ে তৈরি এই পদ রঙ ও স্বাদ- দুই দিক থেকেই অনন্য। স্পেনে এটি মূলত দুপুরের খাবার হিসেবে পরিবেশন করা হয়।
এটি স্পেনের জনপ্রিয় একটি অ্যাপিটাইজার। সাধারণ আলুভাজাকে স্পেনীয়রা অসাধারণভাবে উপস্থাপন করে পাতাতাস ব্রাভাসের মাধ্যমে। কিউব করে কাটা আলু সোনালি ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভেজে তার ওপর ঢেলে দেওয়া হয় ঝাঁঝালো ব্রাভা সস। সসটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। কোথাও এটি ঝাল টমেটো কেচাপ, আবার কোথাও পাপরিকা ছিটানো রসুনের মেয়োনিজ অথবা দুটিই।স্প্যানিশ টরটিয়া মূলত এক ধরনের অমলেট। রেডমিট দিয়ে তৈরি সসেজ, মরিচ, পেঁয়াজসহ অন্যান্য উপকরণ দিয়েও এটি তৈরি করা যায়। তবে খাদ্যরসিকরা হয়ত বলবেন, আসল টরটিয়ার প্রধান উপাদান শুধু আলু ও ডিম। ছোট ছোট করে কাটা আলু হালকা ভেজে ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হয় এই খাবার, যা উচ্চ তাপে ভাজা হয়।
