একই শিল্পগ্রুপের অধীনে আলাদা নামে দুটি এয়ারলাইন্স থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের ‘উদারহণ’ টানল ইউএস-বাংলার মালিক।কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, “ইউএস-বাংলা গ্রুপের অধীনে দুটি এয়ারলাইন্স পরিচালিত হচ্ছে। অনেকেই এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই গ্রুপের একাধিক এয়ারলাইন্স চালানোর উদাহরণ রয়েছে। ভারতের টাটা গ্রুপের অধীনে এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসসহ একাধিক এয়ারলাইন্স রয়েছে।
“মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি ফায়ারফ্লাই ও মধ্যপ্রাচ্যে এয়ার অ্যারাবিয়ার মতো কোম্পানিও একই ধরনের মডেলে চলছে।” এমন মন্তব্য করে এমডি বলেন, “ইউএস-বাংলা ও এয়ার অ্যাস্ট্রার মাধ্যমে গ্রুপটি দুটি ভিন্ন ধরনের সেবা দিতে চায়। একটি প্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ সেবাদানকারী (ফুল-সার্ভিস ক্যারিয়ার); অন্যটি স্বল্প খরচের (লো-কস্ট ক্যারিয়ার) মডেলে চলবে। এর মাধ্যমে ভিন্ন চাহিদার যাত্রীদের জন্য পৃথক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।”
রোববার রাতে কক্সবাজারের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। ইউএস বাংলার যুগ পূর্তি এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
সেখানে একই শিল্পগ্রুপের অধীনে আলাদা এয়ারলাইন্স থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এক সাংবাদিক।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের কারিগরি ত্রুটির প্রসঙ্গও ওঠে। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়েও অন্যান্য দেশের উদাহরণ দেন আবদুল্লাহ আল মামুন। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে ‘অতিরঞ্জিত’ সংবাদ প্রচার না করার অনুরোধ জানান তিনি।
আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “বিশ্বের সব এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজেই কখনো না কখনো কারিগরি ত্রুটি দেখা দিতে পারে। তবে নির্মাতা কোম্পানির নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করে ইউএস-বাংলা কোনো ধরনের ঝুঁকি নিয়ে উড়োজাহাজ পরিচালনা করে না।”

